Home | স্বাধীন | লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দৃশ্যমান নয় :এম সাখাওয়াত হোসেন

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দৃশ্যমান নয় :এম সাখাওয়াত হোসেন

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, তফসিল ঘোষণা সম্পন্ন হয়েছে। তবে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো দৃশ্যমান নয়। পরে কি হবে জানি না। নির্বাচনে সব দলের জন্য সমান সুযোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বর্তমানে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, আমি প্রাক-নির্বাচনী পরিবেশ দেখছি না।

তফসিল হয়েছে, এরপরে কি হবে তা দেখা যাক। যারা নির্বাচনে (বিরোধী দল) প্রতিযোগিতা করবে তাদের অভিযোগ, প্রতিনিয়ত তাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে। তফসিল বিষয়ে ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের স্বাধীনতা বলে বিচার বিশ্লেষণ করে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

ভোট সম্পন্ন করতে যাবতীয় করণীয় বিষয়ে তাদের হিসাব-নিকাশ আছে। তবে একটি বড় জোটের দাবি ছিল তফসিল ঘোষণার তারিখ পেছানো। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের হাতে ভোট করার মতো এক মাস সময় ছিল। তফসিল না পেছানো নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব বিচার।
২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ওই সময় নির্বাচনে বিএনপি আসতে চাইছিল না। তাদের দাবি ছিল পুনঃতফসিলের। পরবর্তীতে পুনঃতফসিল করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের হাতে যেহেতু সময় আছে, তাই তফসিল পেছানোর সুযোগ ছিল বা পুনঃতফসিলের সুযোগ আছে। তবে এ বিষয়ে কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উৎসঃ বিডি প্রতিদিন

গুলির নিন্দা প্রত্যাবাসনের তারিখ দেয়ার তাগিদ ঢাকার
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের তারিখ নিয়ে টালবাহানা এবং বিনা উস্কানিতে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপি’র গুলিবর্ষণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ। গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ লুইন ও’কে তলব করে ক্ষোভের কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তার হাতে বাংলাদেশের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ নোটও দেয়া হয়েছে।
ঢাকার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১লা নভেম্বরের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে মধ্য নভেম্বরে প্রত্যাবাসন শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মিয়ানমার সময়ক্ষণ জানানোর কথা। কিন্তু বৈঠকের ৪ দিনের মাথায় (৪ঠা নভেম্বর) দিন-দুপুরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিপির ৩ দফায় ৪১ রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা বাস্তুচ্যুতদের ফেরানোর প্রক্রিয়া ঠেকানোর কোনো কৌশল কি-না? রাষ্ট্রদূতের কাছে খোলাখুলিভাবে তা জানতে চেয়েছে ঢাকা।

সরকারের ডাকে বিকাল সাড়ে ৩টায় (পূর্ব নির্ধারিত সময়ে) রাষ্ট্রদূত এবং তার দুই সহকর্মীকে নিয়ে সেগুনবাগিচায় হাজির হন। মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেনসহ সাউথ ইস্ট এশিয়া উইংয়ের কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত শুরুতে ঘটনাটি অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। মহাপরিচালক তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, ঘটনাটি দিনের আলোতে ঘটেছে। এর চাক্ষুস সাক্ষী রয়েছে। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা থেমে থেমে গুলি করছে। কোনো রকম উস্কানি ছাড়াই প্রথম দফায় ১৭ রাউন্ড, দ্বিতীয় দফায় ২১ রাউন্ড, সর্বশেষ ৩ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে। ওই ঘটনায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত একজন বাংলাদেশি এবং একজন রোহিঙ্গা বালক আহত হয়েছেন।

বাংলাদেশি বালকের বুকে গুলি লেগেছে এবং তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন জানিয়ে ঢাকার তরফে বলা হয়, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং উস্কানিমূলক। এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই শান্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে মনে হবে শীর্ষ নেতৃত্বের অঙ্গীকারের পর সীমান্তরক্ষীরা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ বিনষ্ট করতে এবং রোহিঙ্গাদের মধ্যে ভয় বাড়াতে পরিকল্পিতভাবে এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে।
খবরটি শেয়ার করুন

About admin

Check Also

ভোটযুদ্ধের প্রস্তুতি : মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বিএনপিতে রেকর্ড

আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টে বাংলাদেশ নিয়ে বিতর্ক শেষে ভোটাভুটির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *