Home | সংবাদ | ‘মেয়েরা কোটা চায় না, তাতে আমি খুশি’

‘মেয়েরা কোটা চায় না, তাতে আমি খুশি’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নারী শিক্ষার্থীরাও এখন আর কোটা চায় না। তারাও কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাস্তায় নেমে এসেছে। সরকারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায়ও তারা জানিয়েছে, নারীদের এখন আর কোটার দরকার নেই।

বুধবার বিকালে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেখে দুঃখ লাগে, ছেলেমেয়েরা সমস্ত লেখাপড়া বন্ধ করে কোটার সংস্কার চেয়ে আন্দোলনে নেমেছে। চৈত্রের রোদ্রে পুড়ে তিনদিন ধরে রাস্তায় বসে আছে। তারা তো অসুস্থ হয়ে পড়বে। রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে, মানুষ হাসপাতালেও যেতে পারছে না। মেয়েরাও দেখি রাস্তায় নেমে গেছে। তার মানে তারাও কোটা চায় না।  প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে মেয়েরা জানিয়েছে, তারা পরীক্ষা দিয়ে চলে আসবে।তাদের অগ্রাধিকারের দরকার নেই।এতে আমি খুশি। কারণ বর্তমান সরকার নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করছে।নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি আমি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবন্ধী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় চাকরির ব্যবস্থা আলাদাভাবে করে দেব। আর কোনো কোটার দরকার নেই। আন্দোলন অনেক হয়েছে। 
এসময় তিনি ছাত্রদের ক্লাসে ফিরে যেতে বলেন।

তিনি বলেন, অর্জিত শিক্ষা ব্যবহার হওয়ার কথা গঠনমূলক কাজে। কিন্তু এখন ব্যবহার হচ্ছে গুজব ছড়ানোর কাজে। সেদিন এক ছাত্রের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হলো, তখন ছাত্রীরাও হলের গেট ভেঙে বেরিয়ে আসে। সেদিন কোনো অঘটন ঘটলে তার দায়িত্ব কে নিতো? 

মেয়েরা কীভাবে এত রাতে বেরিয়ে এল? আমি চিন্তায় সারারাত ঘুমাতে পারিনি। নানককে (জাহাঙ্গীর কবির নানক) পাঠিয়েছি।

কোটা সংস্কারের দাবির আন্দোলনে নারী শিক্ষার্থীদের অংয়শগ্রহণ এবং জেলায় জেলায় শিক্ষার্থীদের নেমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “এরাও চায় না, ওরাও চায় না। ঠিক আছে; কোটাই থাকবে না। কোটার দরকারই নাই। বিসিএসে যাবে, পরীক্ষা হলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ পাবে।”

স্বাধীনতার পর কোটা পদ্ধতি চালুর পর বিভিন্ন সময় তা সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “কোটা থাকলেই সংস্কার। না থাকলে সংস্কারের দরকারই নেই। আন্দোলন হলে সময় নষ্ট হবে।”

About admin

Check Also

উল্টো যেতে বাধা দেয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার পা থেঁতলে দিল মন্ত্রণালয়ের বাস!

ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনকে ইচ্ছাকৃতভাবে চাপা দিয়ে পা থেঁতলে দেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তার জীবন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি এখন স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পরিবার বলছে, দেলোয়ারের অবস্থা শঙ্কটাপন্ন। তার জীবন বাঁচানোটাই এখন মুখ্য বিষয়। দেশের বাইরে নিয়ে তার উন্নত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *