Home | টেলিগ্রাফ | পার্বত্য চট্টগ্রাম আলাদা রাষ্ট্র বানাতে জাতিসংঘে আবেদন করা হয়েছে: হেফাজত

পার্বত্য চট্টগ্রাম আলাদা রাষ্ট্র বানাতে জাতিসংঘে আবেদন করা হয়েছে: হেফাজত

পার্বত্য চটগ্রাম নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের সভাপতি নূর হোসাইন কাসেমী। শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ঢাকা মহানগর হেফাজত আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। আফগানিস্তানে হত্যার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করে হেফাজত।

নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, ‘এদেশের স্বাধীনতা, সাভৌমত্ব রক্ষার জন্য তৌহিদি জনতা প্রস্তুত রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেওয়া যাবে না। রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা দিয়ে নিজ বাসভূমিতে ফেতর পাঠাতে হবে।’
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ, ছবি: ফোকাস বাংলাতিনি বলেন, ‘রাশিয়ার পতনের পরে যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রে হামলা চালাচ্ছে। আর সন্ত্রাসের অপবাদ মুসলমানদের ঘাড়ে চাপাচ্ছে। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম, ইসলাম কখনও সন্ত্রাস অনুমোদন করে না। যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সন্ত্রাস প্রতিষ্ঠা করছে। তাদের অনতিবিলম্বে আফগানিস্তান ছেড়ে যেতে হবে।’

হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে। পাবত্য চট্টগ্রামের উপজাতিরা জাতিসংঘের কাছে আবেদন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা রাষ্ট্র করতে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, বাংলাদেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে দেবো না।’
হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ, ছবি: ফোকাস বাংলাহেফাজতের ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব বলেন,‘রোহিঙ্গারা যদি টেকনাফে থাকে তাহলে মিয়ানমার নিরাপদ হয় না। তাদেরকে যদি ভাসানচরে পাঠানো হয় তাহলে মিয়ানমার নিরাপদ হয়। ষড়যন্ত্র আমরা বুঝি। ভাসনচরে তাদেরকে (রোহিঙ্গা) নিয়ে, উপজাতি দিয়ে খ্রিষ্টান রাষ্ট্র করার প্রস্তাব যারা করেছেন, পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, উপজাতিরা যেখানে থাকে বাংলাদেশের নাগরিকেরা পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে হেঁটে গেলে একটা উপজাতিও বাঁচতে পারবে না।’ উৎস- বাংলা ট্রিবিউন

স্বাস্থ্য তথ্য- চোখ শুঁকিয়ে যাচ্ছে সমাধান ঘরোয়া উপায়ে!
যাঁরা বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন বা দীর্ঘ সময় ধরে টিভি দেখেন অথবা ভিডিও গেইম খেলেন, তাঁদের অনেকেরই ড্রাই আইয়ের সমস্যা হয়৷ আপনার চোখে যথেষ্ট পরিমাণ জল তৈরি না হলে বা সেই জল লুব্রিক্যান্ট হিসেবে যথেষ্ট না হলে চোখে জ্বালাভাব অনুভূত হয়৷ এই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়লে একবার অবশ্যই ডাক্তারের সাহায্য নিতে হবে৷ কিন্তু সাময়িক স্বস্তির জন্য আছে কিছু ঘরোয়া সমাধান জেনে নিন এখনি-

১) গরম জলের ভাপ- হালকা গরম জলে একটা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরো ডুবিয়ে রেখে দিন৷ তার পর কাপড়টা তুলে নিংড়ে নিয়ে চোখের উপর পাঁচ মিনিটের জন্য রাখুন৷ তার পর আঙুলের হালকা চাপে চোখের উপরের ও নিচের পাতায় কাপড়টা মালিশ করুন৷ তাতে চোখের মধ্যেকার সব ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে৷ কাপড়টা একেবারে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া পর্যন্ত এমনটা চালিয়ে যান৷ এতে আপনার চোখের মধ্যেকার জল বা অশ্রুর মান আগের চেয়ে ভালো হবে, তা বেশি আর্দ্রতা জোগাবে৷ লালভাব বা জ্বালাভাবও আগের চেয়ে কমবে নিঃসন্দেহে৷

২) নারকেল তেল- নারকেল তেল চোখ আর্দ্র রাখে, অশ্রু উবে যেতে দেয় না, কমায় জ্বালাভাব৷ পরিষ্কার তুলোয় নারকেল তেল দিয়ে চোখের উপর ১৫ মিনিটের জন্য রাখুন৷ সারা দিনে বেশ কয়েকবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন৷ এতে অনেকটাই চোখের সমস্যার সমাধান হবে।
৩) অ্যালোভেরা জেল- ড্রাই আইয়ের সমস্যা কমাতে অ্যালোভেরা জেল খুব কার্যকর ভূমিকা নেয়৷ এর ময়েশ্চরাইজিং ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি গুণ চোখের লাল ও ফোলাভাব কমাতে পারে৷ একটা পরিষ্কার টিস্যুতে অ্যালোভেরা জেল নিয়ে চোখের নিচের পাতায় আলতো হাতে মালিশ করুন, ১০ মিনিট পর হালকা গরম জলে ধুয়ে নিন৷ দিনে দু’বার এটা করতে পারেন৷

৪) গোলাপ জল- ক্লান্ত চোখ তরতাজা করে তুলতে ভিটামিন এর গুণসমৃদ্ধ গোলাপ জল খুব কার্যকর৷ ভিটামিন এ-র অভাবেই ড্রাই আইয়ের সমস্যার সূত্রপাত হয়৷ পরিষ্কার তুলো গোলাপ জলে ভিজিয়ে নিয়ে চোখের উপর রাখুন৷ ১০ মিনিট পর সরিয়ে চোখ ধুয়ে নিন৷ এতে চোখ অনেকটা তরতাজা হয়ে উঠবে।
খবরটি শেয়ার করুন

Related

About admin

Check Also

তারা কোন চেতনায় বিদেশীদের কাছে সন্তানদের বিয়ে দিচ্ছেন?

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি তারেক রহমান লন্ডনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *