Home | টেলিগ্রাফ | শাহরিয়ার কবিরের ফাঁসির দাবি ওলামা লীগের

শাহরিয়ার কবিরের ফাঁসির দাবি ওলামা লীগের

মসজিদ নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেয়ায় ঘাতক দালাম নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক শাহরিয়ার কবিরের ফাঁসির দাবি করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ সহ-সরকার সমর্থিত ১৩টি সংগঠন। বুধবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ ১৩টি সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি করেন।

মানববন্ধনে ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মাদ আখতার হুসাইন বুখারী বলেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দালাল ঘাদানিকের সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, ‘সরকারের টাকায় দেশে মাদ্রাসা হতে পারে না। এটা সংবিধানেও নেই, ইসলামেও নেই।’ অথচ সরকার বর্তমানে হিন্দুদেরকে মুসলমানদের চেয়েও বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সরকারি টাকায় হিন্দুদের মন্দির নির্মাণ সেটা বৈধ হয় কি করে? সরকারি টাকায় পূজায় ৩০ হাজার মণ্ডপে মণ্ডপপ্রতি ৫০০ কেজি চাল বৈধ হয় কি করে? বাজেটে মসজিদে-মাদরাসায় বরাদ্দ না করে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেটে হিন্দুদের জন্য অতিরিক্ত ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বৈধ হয় কি করে?

তিনি বলেন, সরকারি টাকায় মন্দির, মঠ, গির্জা নির্মাণের বিরুদ্ধে না বলে মুসলমানদের অধিকারের বিরুদ্ধে এবং মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে বলায় প্রতীয়মাণ হয় শাহরিয়ার কবির ওরফে মুরগি কবির উগ্র হিন্দু মৌলবাদীদের কেনা দালাল। শাহরিয়ার কবিররা মূলত মৌলবাদী হিন্দুদের টাকায় গরমে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে উস্কানি দিচ্ছে। তাই মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে বলায় শাহরিয়ার কবিরকে ফাঁসিতে ঝুলাতে হবে।

মানববন্ধনে আখতার হুসাইন বুখারী বলেন, পহেলা বৈশাখ ও চৈত্র সংক্রান্তির সাথে ইসলামের কোন বিরোধ নেই। এগুলো পালনে মুসলমানিত্ব যায় না’ – তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এই বক্তব্য প্রত্যাহার না করা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত। ইনু বামপন্থী। এদেশের গণতন্ত্র নস্যাৎ করে সমাজতন্ত্র কায়েমই তার মূল উদ্দেশ্য। ইনু তো জানে না যে, ইসলামে কোন ধরনের নববর্ষ পালন জায়েজ নাই। নববর্ষ পালনের উৎসব বিধর্মীদের থেকে। ইনুর এ কুফরী বক্তব্য যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত তা প্রত্যাহার করতে হবে, পহেলা বৈশাখের নামে মুখোশ মিছিল বন্ধ ও বিকাল পাঁচটার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই।

এসময় তিনি আসন্ন শবে মেরাজে জাতীয় ছুটি, ‘কিশোর-কিশোরী ক্লাব’ স্থাপন বন্ধ এবং বিভিন্ন অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড এবং ইহুদিদের সাথে বন্ধুত্বে জড়িয়ে পড়ায় সউদি আরবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

আওয়ামী ওলামা লীগসহ ১৩টি ইসলামী সমমনা সংগঠনের মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী। বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, মাওলানা মুহম্মদ আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ। সংবাদ উৎস- ব্রেকিংনিউজ
খবরটি শেয়ার করুন

Related

About admin

Check Also

তারা কোন চেতনায় বিদেশীদের কাছে সন্তানদের বিয়ে দিচ্ছেন?

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি তারেক রহমান লন্ডনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *